Bismillah

Bismillah
কম্পিউটার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কম্পিউটার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২০

চমৎকার একটি নামাজের টাইম সিস্টেম মসজিদ ও ঘরের জন্য।

চমৎকার একটি নামাজের টাইম সিস্টেম মসজিদ ও ঘরের জন্য। ফ্রান্সের এক জন আইটি বিশেষজ্ঞ এই সফ্টয়ার বানিয়েছেন; ফ্রান্সের প্রায় ৯০% শতাংশ মসজিদে এই সিস্টেম চালু আছে এবং ইউরুপ আমেরিকা কানাডা যুক্তরাজ্য আফরিকা আরব দেশ ও এশিয়ার অনেক মসজিদে এই সিস্টেম চালু হয়েছে তবে বাংলাদেশে এখনো এই সিস্টেম কোন মসজিদে আথবা ঘরে কেহ চালু করেছেন বলে জানিনা, ইহা চালু করতে একটি রাস্পবারী মডেম ও একটি এল ই ডি টিভি লাগে। ইহাতে অনেক সিস্টেম আছে এই সফ্টয়ারটি সোনার চেয়ে ও দামী আমি মনে করি তবে সম্পুর্ণ ফ্রীতে এই সফ্টয়ার ডাউনলোড করা যায়। এই সফ্টয়ার এবং ইউটুবের লিংক দিলাম। চাইলে চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

htthttps://mawaqit.net/fr/?fbclid=IwAR0UwvZz7cC87jxM7yQ8427-iBIlFKSi8ZZPS9S_n4AjXqbT4GCCyJud8hQps:










বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯

eReader Prestigio Book

আলহামদুলিল্লাহ অনেকদিন পর মনের মত খুবই চমৎকার খুবই সহজ খুবই দ্রুতগতির  (iBook এর মত) অ্যান্ড্রয়েড একটি ই-বুক রিডার ফ্রি অ্যাপস পেলাম, তাই মহান আল্লাহর শুকরিয়া ও ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিকে অনেক  অনেক ধন্যবাদ। তাই সকলের সাথে শেয়ার করলাম আপনারাও এটি ব্যাবহার করতে পারেন ইনশাল্লাহ ব্যবহার করে খুশি হবেন।
(ইহাতে আপনার ইচ্ছামত ফোল্ডার বানাইতে পারবেন এবং আরো অডিও ভিডিও অপশন সহ অনেক অপশন আছে) 

 a long time, Android got an e-book reader thanks to the manufacturing company.

Après un long moment, Android a eu un lecteur de livre électronique grâce à la société de fabrication.

কি রখম ফাইল ইন করবেন এই ছবিতে দেখিয়ে দিয়েছি।





https://play.google.com/store/apps/details?id=com.prestigio.ereader

https://apkpure.com/fr/ereader-prestigio-book-reader/com.prestigio.ereader
https://apkpure.com/fr/ereader-prestigio-book-reader/com.prestigio.ereader#com.prestigio.ereader-1
https://www.youtube.com/watch?v=YdNCElSHJbE

মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর, ২০১৮

Mawaqit Preyer Time Softwer (For Mosque & Home)





খুবই চমৎকার একটি আধুনিক আন্তর্জাতিক মানের নামাজের সময় সূচী সফটওয়ার, ফ্রান্সের একজন মুসলিম আইটি বিশেষজ্ঞ নির্মাণ করেছেন, যাহা আন্তর্জাতিক বিশ্বের অনেক দেশের মসজিদে অনেক বড় বড় স্কীনে ও বাসা বাড়ীতে শোভা পাচ্ছে, যেমন ইউরোপ আমেরিকা কানাডা সাউথ আফ্রিকা ফ্রান্স লন্ডন ইতালি বেলজিয়াম জার্মানি স্প্যান নেদারল্যান্ড পর্তুগাল অস্ট্রিয়া সেনেগাল আলজেরিয়া মরক্কো  তুনিসিয়া উমান ইন্দোনেশিয়া ভারত সহ অসংখ্য  দেশে খুবই কম সময়ে এই সফ্টয়ার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, বাংলাদেশে সম্ভবত এই সফ্টয়ারের ব্যপারে এখনো জানাজানি হয় নাই তাই আশা করব আমার এই  ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার মাধ্যমে হলেও কিছু মহান ব্যক্তিদের নজরে আসবে এবং ইহা ব্যবহারে খুবই ভাল লাগবে। ইহার সেটিংগে অটো ছাড়াও অনেক সিস্টেম আছে ম্যানোয়েলে বৎসরের স্থায়ী ক্যালেন্ডার আপনার মন মত এডিট করে রাখতে পারবেন CSV সিস্টেমে, কম্পিউটার ছাড়াও Raspberry Pi 3 B+ এই ছোট্র মডেমের মাধ্যমে মনিটারে কানেকশন করে অনলাইন অফলাইনে চালু রাখা যাবে এই মডেমের দাম ৪৫ থেকে ৬০ ইউরো হবে, অনলাইনে কিনতে পারেন অন্যতায় ইন্টারনেট সংযোগসহ একটি পিসি সবসময় এই সিস্টেম চালু রাখার জন্য ব্যাস্থ রাখতে হবে। ফ্রান্সে প্রায় ৮০/৯০% মসজিদে এই সিস্টেম চালু আছে।
আপনার মসজিদ অথবা ঘরের নামাজের সময় সূচী মোবাইলে দেখতে পারবেন এবং সিস্টেম কন্ট্রোল অপারেটিং ইডিটিং আপনার হাতের মোবাইল দিয়েও করতে পারেন।
Mawqit
এই সফ্টয়ারের লিংক গুলো যথা ক্রমে দেওয়া হল।
মেইন পেইজ লিংক:- এখানে সব কিছুরই ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে।
https://mawaqit.net/
ইউটুব লিংক:- যাহাতে সিস্টেমের ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে।
https://www.youtube.com/channel/UCK0bHMvAlVL8NvyofiMulUw/videos
মডেম কিনার জন্য Raspberry Pi 3 B+  লিখে Amazon, eBay Aliexpress অথবা আপনার পছন্দমত অনলাইন ওয়েবসাইটে সার্চ করলেই সহজে পাইয়া যাবেন ইনশা-আল্লাহ।
এই লিংকে প্যারিস এবং আসপাশের এ্যারিয়ার PARIS 12° UOIF অধিকাংশ মসজিদে এই সময় অনুযায়ী নামাজের সময় সুচী অনুসরন করা হয় ম্যানোয়েলে সেটিংস করতে পারেন এডিট করে এই সফ্টয়ারের সাথে মানানসই করে সঠিক সময়ের ক্যালেন্ডার CSV তৈরি করা হয়েছে, এই CSV ফরমাটে যে কোন দেশের ক্যালেন্ডার এডিট করে তৈয়ার করতে পারেন।
Horaires des Prières de PARIS 12° UOIF (Paris et Île-de-France Le calendrier que nous suivons dans la mosquée ) Pour Mawaqit Permanent Calendrier CSV Lien de téléchargement:- http://www.mediafire.com/file/sina5gu8v4cxv9o/Horaires+des+Pri%C3%A8res+de+PARIS+12%C2%B0+UOIF+Pour+Mawaqit+Permanent+Calendrier+CSV.rar

সোমবার, ৪ মে, ২০১৫

জেনে নিন, নষ্ট মেমরি ঠিক করার উপায়গুলো

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মেমরি কার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটার মধ্যে আপনি রাখতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ সব ডাটা। এছাড়াও জীবনের সৃত্মি চিহ্নিত কিছু ছবি আমরা আমদের মোবাইলের মেমরি কার্ডের মধ্যেই রাখি। তথ্য আদান প্রদান করার সময় ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ.খুলে নেওয়া হলে বা কোনো ভাবে সংযোগ বিছিন্ন হলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকেজো হয়ে যায়। ফলে আপনি পরেন মহাবিপাকে। অবশেষে আপনার প্রয়োজনীয় কিছু ডকুমেন্ট হারিয়ে আপনি হতাশায় ভোগেন। নানান ভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অথবা বাহ্যিকভাবে নষ্ট মেমরি কার্ডকে ঠিক করা কঠিন। তারপও আধুনিক কম্পউটারের যুগে সবই সম্ভব।
এবার আপনাদের জানাবো কিভাবে নষ্ট মেররি কার্ড ঠিক করবেন।
ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে:
মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে ডেটা উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে পড়তে (রিড) পারে না। এক্ষেত্রে সবাই ভাবে যে মেমোরি কার্ডটি বোধহয় নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু না, এমন অবস্থা থেকেরিকভারি সফটওয়্যার মেমোরি কার্ডটাকে ফিরিয়ে আনতে পারে।
আর এ জন্য যা করতে হবে আপনাকে:
প্রথমে কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে সংযোগ দিন। খেয়াল রাখুন, মেমোরি কার্ড ফাইল এক্সপ্লোরারে বা হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো দেখালে এটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার য়াপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেন্যুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট(cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run asadministratorনির্বাচন করে সেটি খুলুন। কমান্ড
প্রম্পট চালু হলে এখানেchkdskmr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ ।
কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ লেটার যে টি দেখাবে সেটি এখানে লিখে চেক ডিস্কের কাজটি সম্পন্ন হতে দিন।
এখানেconvertlostchainsto filesবার্তা এলে y চাপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল কাঠামো ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে। মেমোরি কার্ড যদিinvalid filesystemদেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করেFormat-এ ক্লিক করুন।File systemথেকেFATনির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না।


মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

ওয়াইফাই সংযোগের গতি বাড়ানোর ৫টি উপায়

ওয়াইফাই সংযোগের গতি বাড়ানোর ৫টি উপায়


venfor-wifi1
আপনার ইন্টারনেটের পেছনে আপনি যত টাকা খরচ করেন সে পরিমাণ কি ইন্টারনেটের গতি পাচ্ছেন? একটি দুর্বল ওয়্যারলেস সংযোগের সাহায্যে একটি পেজ লোড হতেই অনেক সময় নেয় সেই সাথে কোন কিছু ডাউনলোড করতে চাইলে অপেক্ষা করতে হয় অনেক্ষন। সুতরাং এই ধরণের দুর্বল ওয়্যারলেস সংযোগের পেছনে অযথা টাকা নষ্ট করার আসলে কোন অর্থই হয়না তবে কিছু সহজ ও ছোট্ট উপায় অবলম্বন করে বাড়াতে পারেন আপনার ওয়াইফাই সংযোগের গতি।
ওয়াইফাই সংযোগের ক্ষেত্রে সাধারণত ইন্টারনেট গতি দেয়াল, আসবাবপত্র, অন্যান্য ইলেকট্রনিকস্, এবং এমনকি মানুষ দ্বারাও ব্যাহত হতে পারে। সৌভাগ্যবসত, ইন্টারনেট গতি বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সহজ কৌশল আছে।
চলুন জেনে নিই ওয়াইফাই সংযোগের গতি বাড়ানোর ৫ টি উপায়ঃ
১)রাউটারের লোকেশন পরিবর্তন
ওয়াইফাই সংযোগের গতি বাড়ানোর সহজ উপায় হল রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন বা অবস্থানের মাঝে সমন্বয় করা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, রাউটার বাড়ির ভেতরে আসা ইন্টারনেট তারের কাছাকাছি রাখা হয়। বেশিরভাগ রাউটারের অ্যান্টেনা সর্বতোমুখী হয় ফলে সবদিকে সংকেত পাঠানো ও রিসিভ করা সম্ভব হয়। তাই রাউটারের অবস্থান এমন স্থানে হওয়া উচিৎ যেখান থেকে রাউটার সবদিকে সংকেত পাঠাতে পারে।

২) ওয়্যারলেস রাউটারের সম্মুখে একটি উন্নত এন্টেনা যোগ করুন(বহির্গামী)
কখনও কখনও রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন করে ইন্টারনেটের গতি উন্নত করা সম্ভব হয়না। এইক্ষেত্রে কর্মক্ষমতা উন্নত করার জন্য অ্যান্টেনা পরিবর্তন পরবর্তী পদক্ষেপ হতে পারে। যদি একটি রাউটারের চারপাশে অনেক দেয়াল এবং অনেক বাধা থাকে তবে সেইক্ষেত্রে একটি এক্সটারনাল এন্টেনা রাউটারের সামনে সঠিকভাবে পজিশনিং করে রাউটারের গতি বাড়াতে পারবেন।

৩) ওয়্যারলেস ডিভাইসে একটি উন্নতমানের এন্টেনা যোগ (অভিমুখি)
কিছু কিছু ওয়্যারলেস ডিভাইসে উন্নতমানের এন্টেনা প্রতিস্থাপন করে উন্নত গতি অর্জন করতে পারেন। অবশ্যই এটা স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের জন্য একটু কঠিন, কিন্তু ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটারের ক্ষেত্রে সহজেই এক্সটারনাল এন্টেনা যুক্ত করে ওয়াইফাই সংবেদনশীলতা এবং পরিসীমা বৃদ্ধি করা সম্ভব।
৪)একটি ওয়্যারলেস রিপিটার যোগ করুন
একটি নেটওয়ার্কের পরিসীমা প্রসারিত করতে একটি ওয়্যারলেস রিপিটার যোগ করতে পারেন যা রাউটার এবং সংযুক্ত ডিভাইসের মধ্যে একটি সেতু হিসাবে কাজ করে। ১০০ ডলারের মধ্যেই অনেক ভালো ভালো রিপিটার বাজারে পাওয়া যায়।
৫) বেকগ্রাউন্ডের কাজ বন্ধ করুন
একটি নেটওয়ার্কের গতি বেকগ্রাউন্ডে চলাকালীন একাধিক কাজের জন্য স্লো হতে পারে। ব্যবহারকারীর কম্পিউটার, ট্যাবলেট, বা ফোনের বেকগ্রাউন্ডে যদি একধিক প্রোগ্রাম একাধারে চলতে থাকে তবে ইন্টারনেটের গতি হ্রাস পায়। তাই ইন্টারনেটের গতি সর্বাধিক করতে এসব নোটিফিকেশন ও অব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন বন্ধ করুন।

সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

যেভাবে বাড়াবেন ক্রোম ব্রাউজারের গতি

যেভাবে বাড়াবেন ক্রোম ব্রাউজারের গতি


গুগল ক্রোম ব্রাউজারের গতি কম হলে হোমপেজ এরকম ঝাপসা দেখায়আপনার কম্পিউটারে গুগল ক্রোম কি খুব ধীরে কাজ করছে? গুগল ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই ব্রাউজারের গতি বাড়িয়ে নিতে পারেন। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের দেওয়া এই পরামর্শ মানলে খুব সহজেই বাড়িয়ে নিতে পারবেন আপনার ব্রাউজারের গতি।
ক্রোম মেনু ও সেটিংসপ্রথম ধাপ: গুগল ক্রোমের মেনু বাটনে ক্লিক করুন। ব্রাউজারের ডান কোনায় ক্রস বাটনের নিচে এটি পাবেন। এখান থেকে সেটিংসে যান।
দ্বিতীয় ধাপ: স্ক্রল করে নিচের দিকে এসে শো অ্যাডভান্সড সেটিংসে ক্লিক করুন এবং স্ক্রল করে নিচের দিকে নামুন। এখানে আপনি সিস্টেম নামে একটি সেকশন পাবেন।
তৃতীয় ধাপ: ‘ইউজ হার্ডওয়্যার অ্যাকসেলেরেশন হোয়েন অ্যাভেইলেবল’-এর পাশে থাকা টিক চিহ্নটি উঠিয়ে দিন।
ক্রোমে হার্ডওয়্যার অ্যাকসেলেরেশন বন্ধ করে দেওয়াচতুর্থ ধাপ: ক্রোম ব্রাউজারটি পুরোপুরি বন্ধ করে আবার নতুন করে চালু করুন।
এই প্রক্রিয়ায় উইন্ডোজ কিংবা অন্য অপারেটিং সিস্টেমে ক্রোম ব্রাউজারের গতিতে ইতিবাচক ফল পেয়েছেন বলে অনেকেই সিনেটের প্রতিবেদনে মন্তব্য করেছেন। প্রযুক্তিবিষয়ক পরামর্শক রিক ব্রোডা বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন এবং ইতিবাচক ফল পাওয়ার দাবি করেছেন।
সুত্র: ইন্টারনেট

সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৪

ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়ানোর কৌশল

ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়ানোর কৌশল


ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়াতে এটি ঠিক জায়গায় বসানধীরগতির ওয়াই-ফাই নিয়ে তিতিবিরক্ত? একটু চেষ্টা আর সামান্য অর্থ খরচ করেই কিন্তু আপনার মন্থর ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়িয়ে নিতে পারবেন। সুখবর হলো, অনেক ব্রডব্যান্ড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও আইএসপি দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে এখন। কিন্তু আপনার ওয়াই-ফাই রাউটার যদি ঠিকভাবে সেট আপ করতে না পারেন, তবে দ্রুতগতির ওয়াই-ফাই থেকেও খুব বেশি লাভ নেই। কীভাবে ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়াবেন তা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সিএনএন।

সঠিক চ্যানেল ও ফ্রিকোয়েন্সি বেছে নিনআপনি যদি নতুন ওয়াই-ফাই নিয়ে থাকেন, তবে মনে রাখবেন ওয়াই-ফাই রাউটারে চ্যানেল থাকে। অনেক সময় শুধু রাউটারের চ্যানেল পরিবর্তনেও বাড়তে পারে ওয়াই-ফাইয়ের গতি। আবাসিক ভবনের অন্যান্য ওয়াই-ফাই রাউটারের সিগনাল, তারবিহীন ফোন আর মাইক্রোওয়েভ ওয়াই-ফাই সিগনালের বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে কয়েকবারের চেষ্টায় খুঁজে নেওয়া যেতে পারে তুলনামূলক দ্রুতগতির চ্যানেল। আধুনিক রাউটারগুলোতে বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সি থাকে বিশেষ করে ২.৪ ও ৫ গিগাহার্টজ। বড় ঘর বা একাধিক তলার ক্ষেত্রে ২.৪ গিগাহার্টজই উত্তম। স্বল্প দূরত্বে ৫ গিগাহার্টজ বেশি কার্যকর। রেঞ্জ কম হলেও গতি বেশি মেলে এই কম্পাঙ্কে।
ঠিক জায়গার রাউটার বসান
ঘরের মাঝখানে উঁচু কোনো স্থানে রাউটার রাখার পরামর্শ দিয়েছেন নেটওয়ার্ক বিশেষজ্ঞরা। রাউটারে যদি অ্যানটেনা থাকে আর দেয়াল পেরিয়ে সিগনাল পাওয়ার প্রয়োজন থাকে, তবে অ্যানটেনাগুলো রাখতে হবে সরলকোণে। ইট বা কংক্রিটে বানানো মোটা দেয়াল থেকে রাউটারকে যথাসম্ভব দূরে রাখুন। ম্যাশএবলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াই-ফাই সিগনালের জন্য সবচেয়ে বড় বাধাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পানি আর জানালা। আশপাশে পানির পাইপ থাকলে তা ধীর করে দিতে পারে ওয়াই-ফাইয়ের গতি।
নিরাপদ রাখুন রাউটার
গতি বাড়াতে মাঝেমধ্যে রাউটারে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে দেখুন। কোন কোন ডিভাইস রাউটারের সংযোগ ব্যবহার করতে পারবে তা নির্দিষ্ট করে দিতে পারে। এতে অনাকাঙিক্ষত ব্যবহারকারীদের কারণে গতি হারানোর ঘটনা কমে যাবে।
নতুন রাউটার দরকার হতে পারে
অনেক সময় ওয়াই-ফাইয়ের গতি কম হওয়ার কারণ হতে পারে আপনার ইন্টারনেট সংযোগদাতা প্রতিষ্ঠানের দেওয়া রাউটারের কারণে। বর্তমানে বাজারে থাকা সর্বাধুনিক প্রযুক্তির রাউটারগুলো ব্যবহার করে দ্রুতগতির ওয়াই-ফাই পেতে পারেন।
নেটওয়ার্ক এক্সটেন্ডার
সর্বাধুনিক রাউটারের চেয়ে দাম কম নেটওয়ার্ক এক্সটেন্ডারের। তার পরও বেশ ব্যয়বহুল এই ডিভাইসগুলো। ঘরের যে কোণগুলোয় ওয়াই-ফাই সংযোগ পৌঁছায় না, সেই কোণেও ওয়াই-ফাই সিগনাল পাওয়া যেতে পারে পুরোনো রাউটারের সঙ্গে নেটওয়ার্ক এক্সটেন্ডার জুড়ে দিয়ে।

সোমবার, ২ জুন, ২০১৪

জেনে নিন কী-বোর্ডের F1 থেকে F12 পর্যন্ত কীগুলোর কাজ



 
                  জেনে নিন কী-বোর্ডের F1 থেকে F12 পর্যন্ত কীগুলোর কাজ

নিউজ ডেস্ক : কম্পিউটার বর্তমানে একটি বহুল পরিচিত ও জনপ্রিয় জিনিস। কম্পিউটারে প্রয়োজনীয় একটি পার্ট হচ্ছে কী-বোর্ড। এই বোর্ডে রয়েছে F1 থেকে F12 পর্যন্ত এক ডজন কী। এগুলোকে বলা হয় ফাংশন কী। এর একেকটার রয়েছে একেক কাজ। যারা নিয়মিত কম্পিউটার ব্যবহার করেন তারা প্রায় সবাই জানেন এসব কীর কাজগুলো। কিন্তু যারা এখনও জানেন না,আসুন জেনে নেয় এই কী-গুলোর কাজ কি।

F1: সহায়তাকারী কি হিসেবে ব্যবহূত হয় এই কী-টি। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের হেল্পচলে আসে।

F2: সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহৃত হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ফাইল খোলা হয়। Ctrl+F2 চেপে ওয়ার্ডে প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা যায়।

F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়। Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা হয়।

F4: ওয়ার্ডের last action performed আবার (Repeat) করা যায় এ কি চেপে। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়।

F5: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয় F5 চেপে। পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো শুরু করা যায়। ওয়ার্ডের find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।

F6: এটা দিয়ে মাউস কারসারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া হয়। Ctrl+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।

F7: ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এই কী চেপে। ফায়ারফক্সের Caret browsing চালু করা যায়। Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোনও নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার অভিধান চালু করা হয়।

F8: অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কী। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালাতে এটি চাপতে হয়।

F9: কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কি দিয়ে।

F10: ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কি চেপে। Shift+F10 চেপে কোনও নির্বাচিত লেখা বা সংযুক্তি, লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।

F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়ে দেখা যায়।

F12: ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কি চেপে। Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয় এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড ফাইল প্রিন্ট করা হয়।

শনিবার, ১৭ মে, ২০১৪

জেনে নিন কম্পিউটার এর গতি বাড়ানোর কিছু সহজ টিপস



 টিপস . Go to “ Run “ - tree লিখে এন্টার করুন
 টিপস . Go to “ Run“ - prefetch লিখে এন্টার করুন( একটা নতুন উইন্ডো আসবে সব ফোল্ডার এবং ফাইল ডিলিট করুন
 টিপস . Go to “ Run“ - temp লিখে এন্টার করুন এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন
টিপস . Go to “ Run“ - %temp% লিখে এন্টার করুন এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন
 টিপস . Go to “ Run“ - sfc লিখে এন্টার করুন
 টিপস . Go to “ Run“ - Recent লিখে এন্টার করুন এখন Recent টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন
 টিপস . প্রতিটা ড্রাইভের উপর মাউসের রাইট বাটুন ক্লিক করুন তারপুর প্রপারট্রিজ ক্লিক করুন ডিস্ক ক্লিনআপ ক্লিক করুন আশা করি আপনার কম্পিউটার অনেক গতি বেড়ে যাবে পুরাতন কম্পিউটার এর জন্য বেশী কার্যকরী

 টিপস . মাই কম্পিউটার যান এরপর প্রতিটা ড্রাইভ কে defragment করেন. defragment করার জন্য যা যা করতে হবে যে কোনো ড্রাইভ এর উপর রাইট ক্লিক করেন প্রপার্টিজ যান এরপর টুলস ক্লিক করুন এখান থেকে Defragment now ক্লিক করুন এরপর সবগুলো ড্রাইভ defragment করুন. ব্যস হয়ে গেল এখন আপনার কম্পিউটার এর গতি আগের চেয়ে অনেক বেশি পাবেন বলে আশা করি.

প্রিন্ট পি ডি এফ

Print Friendly Version of this pagePrint Get a PDF version of this webpagePDF
“ডাক তোমার প্রভূর পথে প্রজ্ঞা এবং সদুপদেশের মাধ্যমে এবং তাদের সাথে বিতর্ক কর সর্বত্তোম পন্থায়” (সূরা নাহলঃ১২৫)